প্রকৃতির পাঠশালায় তিন কন্যা ও সাধারণ পংক্তি

0
95

 

শাহেদ কায়েস :

তিন কন্যা— কৃষ্ণচূড়া, জারুল, সোনালু… লাল-বেগুনী-হলুদের পুষ্প পুরাণ! কারুশিল্পের লাল-লাল কৃষ্ণচূড়া আমাকে হাতছানি দিয়ে ডাকে, কৃষ্ণপুরা গ্রামের শংকরদা’র বাড়ির বেগুনি জারুলগুলো আমার পথ আগলে ধরে, আর দুষ্ট হলুদ বরণ কন্যা সোনালুগুলো তো উত্তরের জানালা দিয়ে তাকালেই মুচকি মুচকি হাসে… আহা প্রকৃতির পাঠশালা! যতই দেখি আনন্দে গেয়ে উঠে মন-প্রাণ!

কাল রাতে সাধারণ কয়েকটি পংক্তি এলো, অথচ ফুল-কন্যারা ছিল না কোথাও, ছিলে শুধু তুমি— কল্পনার নদী ।

প্রতিবিম্ব ফেলে মায়া নদীর মাছরাঙা জলে—
জলস্পর্শ প্রাচীন এক বৃক্ষের নিচে বসে আছি
‘দুপুরে জলের গন্ধে একবার স্তব্ধ হয় মন’
চলতে-চলতে একটু ফিরে তাকানো, বাঁক—
নিলেই সব অদৃশ্য, জলের স্মৃতি জলেই শেষ!
শূন্যের শরীরে এক পশলা বাষ্পের ঢেউ
স্মৃতির রথে উড়তে-উড়তে ক্লান্ত এক নদী
অসামাজিক নিরালা খোঁজে— নির্জনতা
আমার জন্ম উৎস জল, আমার ঠিকানা
ও নদী, তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাবো না।

 

আপনার মতামত কমেন্টস করুন